রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: নারী, সংখ্যালঘু ও প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিদ্বেষমূলক তথ্য ও মিথ্যা প্রচারের বিষয়ে সরকারের কার্যকর ভূমিকা নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও ডিজিটাল অর্থনীতি’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তবে সরকারের, নির্বাচন কমিশনের এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি বা পদক্ষেপ এখনও দেখা যাচ্ছে না।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নারীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, সংখ্যালঘু ও প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার রোধে সরকারের কার্যকর ভূমিকা নেই। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের সাম্প্রতিক মেটা (ফেসবুক)কে চিঠি প্রেরণের পদক্ষেপ ভালো হলেও তা যথেষ্ট নয়, বিশেষ করে যেহেতু মেটার বাংলাদেশে অফিস নেই।
ভট্টাচার্য আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সঠিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র এবং গণনার স্বচ্ছতা সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না। নাগরিকরা এখন দায়িত্বশীল নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন অনুভব করছেন। গণতন্ত্র ছাড়া এ ধরনের নিয়ন্ত্রণের অভাব বিপজ্জনক হতে পারে। নেপালের অভিজ্ঞতা আমাদের সতর্ক করে, তিনি যোগ করেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বাংলাদেশে ডিজিটাল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ হলেও নীতিগত অস্পষ্টতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, ডিজিটাল বৈষম্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জবাবদিহিতার অভাবের বিষয় তুলে ধরেন। সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি ও গণতন্ত্র—সব ক্ষেত্রেই অনুকূল নয়।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম