| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়: রিজওয়ানা হাসান

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ ইং | ১৮:৪৮:৩৯:অপরাহ্ন  |  ১০০১৭৬৬ বার পঠিত
রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়: রিজওয়ানা হাসান

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষায় কাগুজে পরিকল্পনার চেয়ে রাজনৈতিক অঙ্গীকারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, বড় বড় মাস্টারপ্ল্যান থাকলেও যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকে, তাহলে এই দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জন্য প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সেন্ট মার্টিনকে শুধুমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেখার প্রবণতাই দ্বীপটির পরিবেশ ধ্বংসের মূল কারণ। তার ভাষায়, ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক বিষয় নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে তার আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সেন্ট মার্টিনকে ইতোমধ্যে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা (ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া) ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন সংবেদনশীল দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ থাকার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান জানান, সেন্ট মার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যত বড় পরিকল্পনাই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেগুলোর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

পর্যটন ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডই দ্বীপের পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। স্থানীয় মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করলে সংরক্ষণ কার্যক্রম টেকসই হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ জন্য কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে প্রথম অগ্রাধিকার হবে সংরক্ষণ অর্থনীতি ও পর্যটন তার পরের বিষয়।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেন্ট মার্টিন কোনো বারবিকিউ পার্টি বা উচ্চ শব্দের লাউডস্পিকারের জায়গা নয়। এটি প্রকৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে তা হবে হোটেল ও রিসোর্টনির্ভর পর্যটনের বিকল্প এবং একটি টেকসই মডেল।

দ্বীপের ভাঙন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান। এই তিনটি বিষয় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪