| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভাসানীর বাংলাদেশে কোনো অপশক্তির ঠাঁই হবে না: বাংলাদেশ ন্যাপ

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২২, ২০২৬ ইং | ১৩:১৬:৫৮:অপরাহ্ন  |  ৭৭৪১৫৫ বার পঠিত
ভাসানীর বাংলাদেশে কোনো অপশক্তির ঠাঁই হবে না: বাংলাদেশ ন্যাপ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি—বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মওলানা ভাসানীকে ছাড়া রচনা সম্ভব নয়। যারা স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে মওলানা ভাসানীকে বাদ দিয়ে ইতিহাস রচনা করতে চান, তারাই একদিন ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাবেন। মনে রাখতে হবে, মওলানা ভাসানীর বাংলাদেশে কোনো অপশক্তির ঠাঁই হবে না, হতে পারে না।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ২২ জানুয়ারি মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, শাসকগোষ্ঠীর দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী, লুটেরা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানীর ‘খামোশ’ উচ্চারণ জাতি এখনো শুনতে চায়। মজলুম জননেতা ভাসানী মার খাওয়া মানুষের নেতা। মেহনতি মানুষের ‘লাল মওলানা’ রামধনুর মতো। অনেক রং—একটার সঙ্গে আর একটা মিশে যাচ্ছে, কখনো আবার মিশছে না, পাশাপাশি ছুঁয়ে আছে একে অন্যকে।

তারা বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন বহুমাত্রিক—মানুষের মতো, এই উপমহাদেশের মতো। এই মাটিকে আত্মস্থ না করে, এই মাটির কৃষকচেতনা এবং কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাসের নিবিড় পাঠ ব্যতিরেকে তাঁকে বোঝা অসম্ভব। মওলানা ভাসানী আজীবন ছিলেন মজলুমের কণ্ঠস্বর। আপসহীন ভাষায় উচ্চারণ করেছেন ‘খামোশ’। শান্তি এবং নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেছেন পুরো পৃথিবীজুড়ে। এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বাংলার জনপদে, থেকে গেছেন কৃষক-শ্রমিক মজলুম মানুষের হৃদয়ে। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও গণতান্ত্রিক সংকট উত্তরণে মওলানা ভাসানীকে আজ বড়ই প্রয়োজন—যে চিৎকার দিয়ে স্লোগানে বলতে পারবে, “বাঁশের লাঠি তৈরি কর, গণতন্ত্র কায়েম কর”, “জনগণ ঐক্য গড়, যোগ্য লোককে সংসদে পাঠাও।”

রিপোটার্স ২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪