সৈয়দ আহমেদ ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১২ নম্বর চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লড়াইরচর গ্রামের বেপারী বাড়ির (মাঝি বাড়ি) বাসিন্দা। তিনি মৃত নুর মোহাম্মদ বেপারীর ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে— তিনটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি রামদা, একটি লোহার চাকু, একটি দেশীয় দা, চারটি স্টিল পাইপ, একটি হাতুড়ি, একটি চেইন, একটি বেয়ারিং গিয়ার, তিনটি স্টিলের চাকু ও দুটি স্মার্টফোন।
চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন, সৈয়দ আহমেদ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আমাদের আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম. এ. হান্নান বহিষ্কৃত হয়ে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হওয়ায় উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির সকল কমিটির কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন, যৌথ বাহিনী সৈয়দ আহমেদকে গ্রেপ্তারের পর প্রথমে হাইমচর থানায় সোপর্দ করে। তবে তার বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলায় হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে তাকে ফরিদগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. লুৎফর রহমান আরও বলেন, সৈয়দ আহমেদ হাইমচরে গ্রেপ্তার হলেও অস্ত্র উদ্ধার করা হয় তার নিজ বাড়ি থেকে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন