| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জেনেভায় ফের শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬ ইং | ১৩:৩৭:২২:অপরাহ্ন  |  ৪৪৫১৩২ বার পঠিত
জেনেভায় ফের শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামরিক হুমকি ও উত্তেজনার আবহে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আজ বৃহস্পতিবার আবারও বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সম্ভাব্য নতুন মার্কিন হামলা এড়াতেই এই আলোচনা।

চলতি মাসে দুই দেশ আলোচনায় ফেরে। ওয়াশিংটন, পশ্চিমা দেশগুলো এবং ইসরায়েলের অভিযোগ,তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি। তবে ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরোক্ষ এ বৈঠকে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড   ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ইরানের পক্ষে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনায় মধ্যস্থতা করবেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। গত সপ্তাহেও জেনেভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

মঙ্গলবার কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তিনি কূটনৈতিক সমাধান চান, তবে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। বুধবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানোই চূড়ান্ত সামরিক লক্ষ্য হতে পারে, যদি সেই পথ বেছে নেওয়া হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র বড় আকারের সামরিক শক্তি জড়ো করছে,২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর যা এ অঞ্চলে তাদের সবচেয়ে বড় মোতায়েন। এতে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। আবার হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।

১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন,অন্যথায় “খুব খারাপ কিছু” ঘটতে পারে।

যদিও এবারের আলোচনার মূল বিষয় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা না করা “বড় সমস্যা” এবং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। সেন্ট কিটসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতি না হলে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতেও অগ্রগতি কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণ করছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা সামরিক সংঘাত এড়াতে পারে কি না, যা হলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত বৃদ্ধির খবরে মূল্যবৃদ্ধি সীমিত থাকে।

এদিকে সম্ভাব্য মার্কিন হামলায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াচ্ছে সৌদি আরব পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪