| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পোশাক শিল্পের বাধা চিহ্নিত করে এক সপ্তাহে সুপারিশ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬ ইং | ১৪:১০:৫২:অপরাহ্ন  |  ৫১৯১৩৫ বার পঠিত
পোশাক শিল্পের বাধা চিহ্নিত করে এক সপ্তাহে সুপারিশ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ব্যবসা সহজীকরণের পথে থাকা প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধানসহ একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশমালা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়-এ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর পরিচালনা পর্ষদ। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় সংগঠনটি।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরীসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

বকেয়া প্রণোদনায় চাপে শিল্প

বৈঠকে পোশাক শিল্পের চলমান সংকট, বিশেষ করে বকেয়া নগদ প্রণোদনা দ্রুত ছাড়ের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিজিএমইএ জানায়, লিয়েন ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক-এর অডিট প্রক্রিয়ার জটিলতায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের নগদ সহায়তার আবেদন আটকে আছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বস্ত্র ও পোশাক খাতে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রণোদনা অনিষ্পন্ন থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তীব্র অর্থসংকটে পড়েছে, যা রপ্তানি সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বকেয়া অর্থ দ্রুত ছাড়, প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং ত্রৈমাসিক ভিত্তির পরিবর্তে আবেদন জমার সঙ্গে সঙ্গেই অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়। অর্থমন্ত্রী দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে দ্রুত অর্থ ছাড় এবং প্রক্রিয়া আধুনিক ও সহজতর করার আশ্বাস দেন।

ঋণ পুনঃতফসিলের সঙ্গে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল

বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী জানান, তফসিলি ব্যাংকগুলো অনেক সময় ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ করলেও প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সরবরাহ করে না। ফলে কারখানা সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং ঋণ পরিশোধও বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি পুনঃতফসিলের পাশাপাশি ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল প্রদানের প্রস্তাব দেন, যাতে কারখানা সচল থাকে এবং ব্যাংকও তার পাওনা আদায় করতে পারে। এ প্রস্তাবের সঙ্গেও একমত হন অর্থমন্ত্রী।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দাবি

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখতে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানো এবং কাস্টমস, বন্দর ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিজিএমইএ নেতারা। তারা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে বিশেষ নীতি সহায়তা চান।

অর্থমন্ত্রী পোশাক শিল্পকে দেশের অর্থনীতির ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক নীতি সহায়তার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণে বিদ্যমান বাধা চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধানসম্বলিত সুপারিশমালা দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বিজিএমইএ সভাপতি আশ্বাস দেন, শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক বাস্তবভিত্তিক ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দ্রুত সরকারের কাছে পেশ করা হবে।

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪