| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১০৮: ইরানের দাবি

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০১, ২০২৬ ইং | ১৩:৫০:৩৮:অপরাহ্ন  |  ৪৩২৬৩৫ বার পঠিত
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১০৮: ইরানের দাবি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে বিস্ফোরণে অন্তত ১০৮ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এক কৌঁসুলি। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার অংশ হিসেবেই এই আঘাত হানা হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঘটনাটিকে “বর্বরোচিত কর্মকাণ্ড” আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি আগ্রাসীদের অসংখ্য অপরাধের তালিকায় “আরেকটি কালো অধ্যায়”। তবে স্কুলে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। যে স্কুলটিতে বিস্ফোরণ ঘটে, সেটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর একটি ঘাঁটির প্রায় ৬০০ মিটার দূরে অবস্থিত—যে ঘাঁটি সাম্প্রতিক হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানায়, সারা দেশে বিমান হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন। জেনেভায় রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটির পরপরই স্কুলে জরুরি দল পাঠানো হয়েছে।

হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের ওই স্কুলটি “তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু” হয়েছিল বলে এক কর্মকর্তা জানান। বিস্ফোরণের পরবর্তী দৃশ্যের কয়েকটি ভিডিও বিবিসি যাচাই করেছে, যেখানে একটি ভবন থেকে ধোঁয়া উঠতে এবং আশপাশে আতঙ্কিত মানুষের চিৎকার শোনা যায়। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের জন্য ইরানে ভিসা পাওয়া কঠিন হওয়ায় হতাহতের সংখ্যাটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি ঘিরে ইরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিদেশে বসবাসরত এক ইরানি, যিনি সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধী, লেখেন: এই যুদ্ধের প্রথম শিকার মিনাবের ৪০ কিশোরী, যারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত। এটাই কি সেই যুদ্ধ, যার জন্য আপনারা উল্লাস করেন?

তবে ইরানি সরকারের প্রতি গভীর অবিশ্বাসের কারণে অনেকে সরকারি বিবরণ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এক ব্যবহারকারী লেখেন, শাসকগোষ্ঠী সরাসরি স্কুলে হামলা না করলেও মিনাবে শিশুদের মৃত্যুর দায় ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এড়াতে পারে না। আশ্রয়কেন্দ্র নেই, ইন্টারনেট বন্ধ, ফোনলাইন বিচ্ছিন্ন শিশুদের স্কুলে না যেতে কোনো সতর্কতাও দেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে অন্তত ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া উচিত ছিল।

শনিবার জুড়ে ইরানের বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ধারাবাহিক বিমান হামলা চালায়। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, প্রাথমিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার বহু শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে এবং নতুন দফা হামলা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত মিলছে। বিবিসি

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪