| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ব্যাংক খাতের সংস্কার চলমান থাকবে, বৈঠকে গভর্নর

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০২, ২০২৬ ইং | ০০:০৬:২৭:পূর্বাহ্ন  |  ৫০৩৭০৬ বার পঠিত
ব্যাংক খাতের সংস্কার চলমান থাকবে, বৈঠকে গভর্নর
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্যাংক খাতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণসহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করা হবে না এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে।

রোববার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)-এর সৌজন্য সাক্ষাৎকালে গভর্নর এসব দিকনির্দেশনা দেন। এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিনের নেতৃত্বে ১৯টি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে গভর্নর জানান, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সহায়তা দেবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালু করা এবং সিএমএসএমই খাতে অর্থায়ন জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গভর্নর স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। শাখা খোলার ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হবে; নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকলে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আলাদা অনুমোদন প্রয়োজন হবে না। এছাড়া অঞ্চলভিত্তিক সিএমএসএমই পণ্যে অর্থায়ন বাড়িয়ে ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মাসরুর আরেফিন জানান, সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর বোর্ড পুনর্গঠনসহ সংস্কার প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে। ঋণ বিতরণ বা সুশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হলে এমডিদের সরাসরি গভর্নরকে জানাতে বলা হয়েছে। ব্যবসার খরচ কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এছাড়া রপ্তানিকারকদের প্রণোদনা, ইডিএফ রিইম্বার্সমেন্ট ও রেমিট্যান্স প্রণোদনার বকেয়া অর্থ ছাড়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদের আকৃষ্ট করতে চলতি বছর ‘বাংলাদেশ ডে’ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন গভর্নর।

গভর্নর আগামী ১৮ মাসে ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উৎপাদন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। খেলাপি ঋণ থেকে সৃষ্ট অকার্যকর সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহার এবং বন্ধ কারখানা নতুন উদ্যোগে পুনরায় চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।

তিনি ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। উদাহরণ হিসেবে অষ্টগ্রামের পনিরকে বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে ব্যাংকগুলোর সহায়তার কথা বলেন। জেলা ও গ্রামভিত্তিক অন্যান্য পণ্যেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান গভর্নর।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪