| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ খার্গ দ্বীপ দখলে সেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ১৬, ২০২৬ ইং | ১৬:৫৯:৩০:অপরাহ্ন  |  ৩০৫৯১৭ বার পঠিত
ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ খার্গ দ্বীপ দখলে সেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র খড়গ দ্বীপ দখলে নেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে ইরানের অবরোধের কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি অবকাঠামো দখলে নিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের বিকল্পটি বিবেচনা করা হচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, দ্বীপটি দখলে নেওয়া গেলে তা ইরান সরকারের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত হানবে এবং তেহরানের রাজস্বের প্রধান উৎস কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।

তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা ও পাইপলাইনে হামলার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইজরায়েল আপাতত ইরানে সরাসরি স্থল অভিযান চালানোর পক্ষে নয় বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের কেউই বর্তমানে ইরানে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে না। বরং অভ্যন্তরীণ চাপের মাধ্যমে ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনাই তাদের লক্ষ্য।

এর আগে ট্রাম্প জানান, তিনি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছেন। চলতি সপ্তাহেই সে বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যে খার্গ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তেল স্থাপনাগুলো তখন লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। পরে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে দ্বীপটিতে আবারও হামলা চালানো হতে পারে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ

পারস্য উপসাগরে ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

১৯৬০ ও ১৯৭০–এর দশকে ইরানের তেল শিল্প সম্প্রসারণের সময় দ্বীপটিতে বড় ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। কারণ ইরানের অনেক উপকূল সুপারট্যাংকার চলাচলের জন্য উপযোগী নয়।

পরবর্তীতে জাস্ক এলাকায় বিকল্প তেল রপ্তানি টার্মিনাল চালু করা হলেও খার্গ দ্বীপ এখনও ইরানের জ্বালানি অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এবং এখান থেকে প্রাপ্ত আয়ের বড় অংশ ব্যবহৃত হয় শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস-এর কার্যক্রমে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪