| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সুদানে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ২২, ২০২৬ ইং | ১৩:৫২:৪৯:অপরাহ্ন  |  ২৬৫২২২ বার পঠিত
সুদানে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি, আলজাজিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুদানের দারফুর অঞ্চলে একটি শিক্ষণ হাসপাতালে হামলায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৩ শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে চিকিৎসাধীন রোগী, দুই নারী নার্স ও একজন পুরুষ চিকিৎসকও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, শুক্রবার রাতে পূর্ব দারফুর রাজ্যের রাজধানী আল-দাইনে অবস্থিত আল-দাইনে টিচিং হাসপাতালে এ হামলা চালানো হয়। এতে আরও অন্তত ৮৯ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।

হামলায় হাসপাতালটির শিশু, মাতৃত্ব ও জরুরি বিভাগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ফলে শহরটির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সুদানে চলমান যুদ্ধে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘাতে ২১৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৬ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এই হামলাটি সুদানের সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলার ফলে ঘটেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত হয়নি।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী দ্রুত সহায়তা বাহিনী (আরএসএফ)-এর মধ্যে সংঘাত দেশটিকে ভয়াবহ মানবিক সংকটে ফেলেছে। এতে ইতোমধ্যে কয়েক দশ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বর্তমানে ৩ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

দারফুর অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পূর্ব, মধ্য ও উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সরকারি বাহিনী। উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা দারফুরে আরএসএফের কর্মকাণ্ডে গণহত্যার আলামত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক সম্প্রতি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ড্রোন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সংঘাতরত পক্ষগুলো ক্রমেই আরও শক্তিশালী ড্রোন ব্যবহার করছে, যা জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডেকে আনছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক প্রাণহানিতেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলে এবং বিপর্যস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য সংকট আরও গভীর করে।

সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কখনোই হামলার লক্ষ্য হতে পারে না। শান্তিই সর্বোত্তম ওষুধ।” তিনি অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করে বেসামরিক নাগরিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। আল জাজিরা

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪