রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশে সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি জানান, এপ্রিল মাসে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এবং অকটেন ও পেট্রলের চাহিদা মাসে ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। ডিজেলের ক্ষেত্রেও সংকট নেই।
জ্বালানি মজুতের প্রবণতা ও প্যানিক বায়িং এখনও চলমান রয়েছে, যা পেট্রল পাম্পে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, যথা নিয়মে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে এবং পরিশোধিত জ্বালানি তেল যথাযথ পরিমাণে আছে। মজুতের প্রবণতা পরিহার করলে কোনো সংকট হবে না।
মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, সম্প্রতি ইরান থেকে ৬টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে এসেছে, যার মধ্যে একটি অপরিশোধিত তেলের জাহাজ। এ জাহাজ থেকে ইস্টার্ণ রিফাইনারিতে তেল পরিশোধন করা হবে, ফলে কোনো সমস্যা হবে না।
তিনি জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেক নাগরিক এই সময়ে জ্বালানি সাশ্রয় করে জাতিকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারেন। সরকার জনগণের কথা চিন্তা করেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।
এছাড়া, ইলেকট্রিসিটির জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ করা হবে। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে “স্যাংশন ওয়েভার” নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো চিঠির জবাব এখনও পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম