রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন লাছাইনু চাক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ বছরের ইতিহাসে চাক সম্প্রদায় থেকে তিনিই প্রথম নারী শিক্ষার্থী। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী বাবা আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারানোয় তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রাম থেকে উঠে আসা লাছাইনু সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। করোনাকালে তিনি মাকে হারান। চাক সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ছয় হাজার; দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা থেকে পিছিয়ে এই সম্প্রদায়। সব প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় লাছাইনু ঘরের কাজ সামলে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ হেঁটে স্কুল-কলেজে গিয়ে পড়াশোনা করেছেন।
প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি লাছাইনু। দ্বিতীয়বার প্রস্তুতি নিয়ে অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান তিনি। তবে পরিবারের আর্থিক সংকট ও বাবার অসুস্থতার কারণে তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন