| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ম্যান্ডেলসন বিতর্কে সংসদের মুখোমুখি

পদত্যাগ করছেন স্টারমার?

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২০, ২০২৬ ইং | ১৬:১১:৫৫:অপরাহ্ন  |  ৩৬৬১৯ বার পঠিত
পদত্যাগ  করছেন স্টারমার?
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার আজ (সোমবার) পার্লামেন্টে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিরাপত্তা যাচাই (ভেটিং) প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও পাঠানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

৭২ বছর বয়সী ম্যান্ডেলসনকে গত সেপ্টেম্বরেই পদচ্যুত করা হয়, যখন প্রয়াত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন-র সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তথ্য সামনে আসে। এ ঘটনায় স্টারমার নিজেও তাকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

গত সপ্তাহে সরকার জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ম্যান্ডেলসন নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলেন—এ তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই স্টারমারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর থেকেই তার জনপ্রিয়তা কমতির দিকে ছিল।

এর আগে স্টারমার পার্লামেন্টে বলেছিলেন, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগে সব নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কিন্তু এখন তিনি দাবি করছেন, ভেটিং ব্যর্থতার বিষয়টি তাকে এতদিন জানানো হয়নি, যা “অমার্জনীয়”। এ ঘটনার জেরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা অললি রবিনসকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্টারমার জানিয়েছেন, তিনি আজ পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত “সব প্রাসঙ্গিক তথ্য” তুলে ধরবেন। অন্যদিকে, রবিনস মঙ্গলবার একটি সংসদীয় কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেবেন।

বিরোধীরা স্টারমারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অদক্ষতার অভিযোগ তুলে বলছে, তার আর ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ভিত্তি নেই। স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই কেলেঙ্কারির পুনরুত্থান সরকার পরিচালনায় তার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

যদিও এখনো লেবার পার্টির কোনো শীর্ষ নেতা সরাসরি তার পদত্যাগ দাবি করেননি, তবুও রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। স্কটল্যান্ডবিষয়ক মন্ত্রী ডগলাস আলেকজান্ডার বলেছেন, স্টারমারই পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেবেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, “গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর আজ প্রয়োজন।”

লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি স্টারমারের সিদ্ধান্তকে “বিপর্যয়কর ভুল” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আর প্রধান বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনোক এক খোলা চিঠিতে বলেছেন, এটি স্টারমার ও তার দলের জন্য “লজ্জাজনক” ঘটনা।

চিঠিতে তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যাকে “উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে বিবেচনা করেছিল, তাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদে নিয়োগ দেওয়া ছিল গুরুতর ভুল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এবং প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল জানিয়েছেন, ভেটিং ব্যর্থতার বিষয়টি আগে জানা থাকলে স্টারমার কখনোই ম্যান্ডেলসনকে ওই পদে অনুমোদন দিতেন না।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪