| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঝিনাইদহে ভারতীয় সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সেই লাশটি আফগান নাগরিকের

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ইং | ২৩:৪৪:৪৬:অপরাহ্ন  |  ৬১৪ বার পঠিত
ঝিনাইদহে ভারতীয় সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সেই লাশটি আফগান নাগরিকের

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে ১১ দিন আগে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। মরদেহটি আফগানিস্তানের নাগরিক হাশমত মোহাম্মাদির বলে দাবি করেছে তার পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিন বেলা ৩টা পর্যন্ত নিহত হাশমতের পরিবারের সদস্যরা থানায় অবস্থান করছিলেন। এর আগে মরদেহের ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন হাশমতের যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ভাই মোহাম্মাদ ইরি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদীতে একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবি ও পুলিশকে খবর দেন। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পরিচয় শনাক্তে পুলিশ ও পিবিআই আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই করলেও কোনো মিল পাওয়া যায়নি। পরে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে গণ্য করে ১৪ এপ্রিল ঝিনাইদহ আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মরদেহের ছবি দেখে নিহতের ভাই মোহাম্মাদ ইরি ভাইয়ের পরিচয় শনাক্ত করেন। এ বিষয়ে তিনি বিদেশে থাকা পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে চৌগাছার একজন সাংবাদিকের সহায়তায় মহেশপুর থানার এসআই টিপু সুলতানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান।

পরিবারের বরাতে জানা যায়, হাশমত মোহাম্মাদি সর্বশেষ ইতালিতে বসবাস করতেন। তিনি ইতালির পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে যাতায়াত করতেন এবং রত্ন ও আংটির পাথরের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কয়েক বছর আগে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে তিনি ভারতের কয়েকজন অংশীদারের সঙ্গে সংঘাতে জড়ান। ওই ঘটনায় মামলা হলে ভারতীয় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালত তাকে খালাস দিলেও দেশে ফেরার নির্দেশ না থাকায় তিনি ইতালিতে ফেরার পরিকল্পনা করেন।

পরিবারের দাবি, গত ১০ এপ্রিল তিনি এক বাংলাদেশি পরিচিতজনের সঙ্গে বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ১১ বা ১২ এপ্রিল তিনি ভাইকে ফোন করে জানান, সামনে ইছামতি নদী পার হলেই বাংলাদেশে প্রবেশ করবেন। এরপর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করার সময়ই এটি বিদেশির হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় যোগাযোগ করেছেন। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই টিপু সুলতান জানান, হাশমতের ভাই মোহাম্মাদ ইরার সঙ্গে কথা হয়েছে। মাসুদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে, সেটি ধরে তদন্ত চলছে। মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪