স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও টুর্নামেন্টের চমক কেপ ভার্দে। ম্যাচের শুরুতেই বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা, তবে প্রথম মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ বাম প্রান্ত থেকে ক্রস তোলার চেষ্টা করলে তা রক্ষণভাগ সামলে দেয় কেপ ভার্দে।
বাংলাদেশ সময় ভোরে শুরু হওয়া ম্যাচে কেপ ভার্দে তাদের গাঢ় নীল জার্সিতে মাঠে নামে, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা খেলছে তাদের ঐতিহ্যবাহী সাদা-আকাশি জার্সিতে।
ম্যাচ শুরুর আগে হার্ড রক স্টেডিয়ামে বেজে ওঠে কেপ ভার্দের জাতীয় সংগীত ‘কান্তিকো দা লিবারদাদ’। গ্যালারির নীল জার্সিধারী সমর্থকদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় দেশটির গর্বের সুর।
ম্যাচে আর্জেন্টিনার একাদশে রয়েছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। রক্ষণভাগে খেলছেন নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও ফাকুন্দো মেদিনা। মাঝমাঠে আছেন রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্টিনেজ।
অন্যদিকে, কেপ ভার্দের গোলপোস্ট সামলাচ্ছেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। রক্ষণে রয়েছেন সিডনি কাবরাল, ডিনেই বোর্হেস ও স্টিভেন মোরেইরা। আক্রমণভাগে দলের প্রধান ভরসা নুনো দা কস্তা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলছে কেপ ভার্দে। স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলোচনায় আসা গোলরক্ষক ভোজিনহার দিকেই আবারও তাকিয়ে রয়েছে দেশটির সমর্থকরা। স্পেনের বিপক্ষে তিনি নয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ইতিহাস গড়ার পথে বড় ভূমিকা রাখেন।
এদিকে, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য নকআউট পর্বের অভিশাপ ভাঙার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। পরিসংখ্যান বলছে, এই শতাব্দীতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে পৌঁছানো মাত্র তৃতীয় দল আর্জেন্টিনা। এর আগে ২০০৬ সালে ব্রাজিল এবং ২০২২ সালে ফ্রান্স এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিল।
মায়ামির গ্যালারিতে আকাশি-সাদা জার্সির সমুদ্রের মাঝে এখন প্রশ্ন একটাই— ইতিহাস গড়ার রূপকথা লিখবে কেপ ভার্দে, নাকি নিজেদের শিরোপা রক্ষার মিশন সফলভাবে শুরু করবে মেসির আর্জেন্টিনা?
রিপোর্টার্স২৪/বাবি