| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইংল্যান্ড বনাম নরওয়ে নাকি বেলিংহাম বনাম হালান্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১২, ২০২৬ ইং | ০০:২৭:০৫:পূর্বাহ্ন  |  ১১৬৫ বার পঠিত
ইংল্যান্ড বনাম নরওয়ে নাকি বেলিংহাম বনাম হালান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দুই দশকের আধিপত্যের পর বিশ্ব ফুটবলে নতুন প্রজন্মের তারকাদের লড়াইয়ের আভাস দেখা যাচ্ছে। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকছেন দুই তরুণ সুপারস্টার—জুড বেলিংহাম ও আর্লিং হালান্ড।

রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে গত তিন বছরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে একাধিকবার মুখোমুখি হয়েছেন বেলিংহাম ও হালান্ড। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে এবারই প্রথম তাদের সরাসরি লড়াই। তাই ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটি শুধু ইংল্যান্ড-নরওয়ের দ্বৈরথ নয়, বরং ফুটবলের ভবিষ্যৎ দুই মুখের লড়াই হিসেবেও দেখছেন অনেকে।

বেলিংহাম ও হালান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। দুজনের জন্মস্থান একে অপরের থেকে খুব বেশি দূরে নয় এবং বয়সের ব্যবধানও তিন বছরের কম। ২০২০ সালে দুজনই জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দেন। সেখানে খেলতে খেলতেই তারা বিশ্বমানের তারকা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেন।

ডর্টমুন্ডে বেলিংহামের পরিণত খেলার প্রশংসা করেছিলেন সতীর্থ থরগান হ্যাজার্ড। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই বেলিংহাম যেভাবে দায়িত্বশীল ফুটবল খেলেছিলেন, তা সতীর্থদেরও অবাক করেছিল। অন্যদিকে হালান্ডও নিজের দুর্দান্ত গোল করার ক্ষমতা দিয়ে দ্রুত বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারে পরিণত হন।

ডর্টমুন্ডে একসঙ্গে কাটানো দুই মৌসুমে দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া। মাঠের বাইরেও তাদের সম্পর্ক ছিল প্রাণবন্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের হাস্যরসাত্মক মুহূর্তও ভক্তদের নজর কাড়ে।

২০২১ সালে জার্মান কাপ জয়ের সময় হালান্ড ও জাডন সাঞ্চো ছিলেন ডর্টমুন্ডের আক্রমণভাগের মূল শক্তি, আর বেলিংহাম তখন ধীরে ধীরে নিজের সেরা রূপে পৌঁছাচ্ছিলেন। পরে হালান্ড ম্যানচেস্টার সিটিতে চলে গেলে বেলিংহাম ডর্টমুন্ডের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠেন এবং ২০২৩ সালে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়ে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

দুজনের ভবিষ্যতে একই ক্লাবে খেলার সম্ভাবনা নিয়েও একসময় আলোচনা হয়েছিল। বেলিংহাম নাকি হালান্ডকে রিয়াল মাদ্রিদে আসার জন্য আগ্রহী করেছিলেন—এমন গুঞ্জনও ছিল। যদিও হালান্ড পরে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে নতুন চুক্তি করেন।

মেসি-রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। তবে বেলিংহাম ও হালান্ডের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে ভিন্ন ধরনের—বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যেও বিশ্বসেরার মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের লড়াই। বিশ্বকাপের শেষ পর্বে তাদের এই দ্বৈরথ নতুন এক ফুটবল যুগের সূচনা করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪