| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিটফোর্ডের হত্যাকাণ্ড আইয়ামে জাহেলিয়াতের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে: ফয়জুল করীম

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১২, ২০২৫ ইং | ১৬:২৯:৪৬:অপরাহ্ন  |  ১৬১৯৫৩৫ বার পঠিত
মিটফোর্ডের হত্যাকাণ্ড আইয়ামে জাহেলিয়াতের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে: ফয়জুল করীম
ছবির ক্যাপশন: ইসলামী যুব আন্দোলনের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। শনিবার বিকেলে নগরের অশ্বিনীকুমার টাউন হলে

সিনিয়র রিপোর্টার : রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে হত্যার ঘটনা আইয়ামে জাহেলিয়াতের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘চাঁদা না পেয়ে এভাবে প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা, এটা আইয়ামে জাহেলিয়াতের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে। এই বর্বরতা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হত্যাযজ্ঞকেও ছাপিয়ে গেছে।’

শনিবার ( ১২ জুলাই) বিকেলে বরিশাল নগরের সদর রোডের অশ্বিনীকুমার টাউন হলে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগর কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফয়জুল করীম বলেন, ‘যখনই চাঁদাবাজ ধরা পড়ে, তখনই বহিষ্কার করা হয়। বিএনপি এ পর্যন্ত তিন হাজারের ওপর বহিষ্কার করেছে। কিন্তু বহিষ্কারে চাঁদাবাজি, খুন, জুলুম ফেরেনি। বহিষ্কার আসলে কিছুই না, আইওয়াশ, লোক দেখানো নিয়ম। তাঁরা বলে ব্যক্তি দোষ করলে দল তার দায়দায়িত্ব নেবে না। আমি মনে করি, আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুর্নীতি, খুনের ফ্যাক্টরি। এই খুনের দায়দায়িত্ব তারেক জিয়া, মির্জা ফখরুল ও প্রশাসনকে নিতে হবে।’

ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘আবরারকে যাঁরা হত্যা করেছে, তাঁরা বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্র ছিল। কিন্তু এই ফ্যাক্টরিতে যাওয়ার পর তাঁরা খুনি হয়েছে। আজকে হাজারো মেধাবী আওয়ামী লীগ-বিএনপি করার কারণে ধর্ষক হয়েছে, চাঁদাবাজ হয়েছে।’ তিনি বলেন, মিটফোর্ডের এই খুনের ঘটনায় মামলা দেওয়া হয়েছে; কিন্তু পুলিশ গ্রহণ করেনি। পুলিশ এই মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই ঘটনা প্রকাশ না হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি।’

‘চাঁদা নিলে পুরস্কার, ধরা পড়লে বহিষ্কার আর ভাইরাল হলে গ্রেপ্তার’ মন্তব্য করে ফয়জুল করীম বলেন, ‘এক আবু সাঈদ হত্যায় আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে ফেলেছে। আর এক সোহাগ হত্যায় বিএনপির মসনদও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি মানুষের অধিকার ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য। রাজনীতি কোনোভাবেই মানুষ হত্যা, চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেটবাজি কিংবা টেন্ডারবাজির জন্য নয়। রাজনীতিকে যারা অর্থ উপার্জনের হাতিয়ারে পরিণত করেছে, তারাই অতীতে দেশকে দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেভাবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ উৎখাত হয়েছে, ঠিক তেমনিভাবেই এই নব্য ফ্যাসিবাদীদেরও জনগণ উৎখাত করবে ইনশা আল্লাহ।’

ইসলামী যুব আন্দোলনের মহানগরের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে এবং জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. সুলাইমান ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাহিদুল ইসলাম সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমাদ। অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ও বরিশাল জেলার সভাপতি উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ আল আমিন, বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মহানগরের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ লোকমান হাকিম, জেলা সহসভাপতি শেখ শামসুল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।


রিপোর্টার্স ২৪/এমবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪