টনাটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিপিএসওএম) ২০০৭-এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ
বৃহস্পতিবার রাতে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চরম উত্তেজনার এক পর্বে জম্মু, পাঞ্জাব ও রাজস্থানের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের তরফ থেকে চালানো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেছেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৮ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানে ভারতের ড্রোন আক্রমণের ফলে ভারতের উপর পাকিস্তানের আক্রমণ ‘ক্রমশ নিশ্চিত’ হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে আগ্রহী নয়। ভারত যদি আর উসকানি না দেয়, তবে পাকিস্তানও কোনো ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ প্রতিক্রিয়ায় যাবে না
বুধবার মহেন্দ্র সিংহ ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলছিলো কেকেআর। ম্যাচ চলাকালীন সিএবির ইমেল আইডিতে হুমকি মেল আসে। কোনও অজানা মেল আইডি থেকে এই হুমকি আসে। কোনও ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। পুলিশ এবং সিএবি সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বুধবার ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় এবং এশিয়ার অন্যান্য মুদ্রার পতনের প্রভাবে ভারতীয় রুপি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা গত এক মাসে একদিনে সবচেয়ে বড় পতন।
বুধবার ভোররাতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ধারাবাহিক নির্ভুল হামলা চালিয়ে ৮০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসবাদীকে হত্যা করেছে। এই অভিযানটি 'অপারেশন সিন্দুর' নামে পরিচিত, যা ২২শে এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হয়। অপারেশন সিন্দুরের প্রধান লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান ও পিওকে-তে অবস্থিত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মোহাম্মদ (JeM), লস্কর-ই-তৈয়বা (LeT) এবং হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত নয়টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত করা। এই হামলা ছিল পাকিস্তান থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর একটি প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ।