| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম

স্বস্তি নেই সবজির বাজারে, ডিম-মুরগি বিলাসপণ্য

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫ ইং | ০৫:৫৮:৫২:পূর্বাহ্ন  |  ১৫৯০২১৫ বার পঠিত
স্বস্তি নেই সবজির বাজারে, ডিম-মুরগি বিলাসপণ্য
ছবির ক্যাপশন: ছবি : রিপোর্টার্স২৪

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :

নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন করে তুলেছে। মুরগি, মাছ, চাল, ডাল থেকে শুরু করে শাকসবজি—সব কিছুর দামই এখন আকাশছোঁয়া। ফলে বাজার করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। অনেকে বলছেন, দামের কারণে ডিম-দুধ খাওয়া ছাড়তে হয়েছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের মাটিকাটা ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫–১৮০ টাকায়। সোনালী মুরগি ৩০০–৩৩০, লেয়ার ৩২০–৩৪০ এবং দেশি মুরগি ৬০০–৬৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ব্রয়লার ছাড়া অন্য মুরগি কেনার সুযোগ কমে গেছে সাধারণ মানুষের।

এক ক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, “আগে ব্রয়লার কিছুটা সস্তা ছিল, এখন ১৬৫ টাকা কেজি। প্রতিদিনের বাজার খরচ সামলানোই কষ্টকর হয়ে গেছে।”

অন্যদিকে হাবিবুল বাশার নামে আরেক ক্রেতা বলেন, “একটা সোনালী মুরগির দামই ৩৬০ টাকা পড়ে যায়। আকারে ১ কেজি হয় না। তাই বাধ্য হয়েই ব্রয়লার কিনতে হচ্ছে।”

ডিমের দামও ক্রেতাদের হতাশ করছে। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০–১৪৫ টাকা দরে। অর্থাৎ এক হালি ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫০ টাকা।

মালিবাগ বাজারে ক্রেতা আমির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ডিম-দুধ খাওয়া তো ছেড়ে দিতে হয়েছে দামের কারণে। শাক-সবজিও এখন নাগালের বাইরে।”

মাংসের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০–৮০০ টাকা, খাসি বা ছাগলের মাংস ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম আকাশচুম্বী। আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা কেজিতে। ছোট ইলিশের দামও কেজিপ্রতি ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকার নিচে নামেনি। রুই মাছ ৩৪০–৩৮০ টাকা কেজি, আর পাঙ্গাস ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া চাল-ডাল ও মুদিপণ্যের বাজারও চড়া। মিনিকেট চাল ৭২–৮৫, নাজিরশাইল ৭৫–৯৫, স্বর্ণা ৫৮–৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের মসুর ডালের দাম ১৪৫–১৫০ টাকা কেজিতে উঠেছে। প্যাকেটজাত আটা কেজিপ্রতি ৫৫–৬০ এবং ময়দা ৭০–৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই। বেগুন ১০০–১৪০, করলা ৯০–১০০, ঢ্যাঁড়স ৭০–৮০, কচুর লতি ৮০–১০০, আর কাঁচা মরিচ ২২০–২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের বাজারও চড়া রয়ে গেছে। দেশি পেঁয়াজ ৬৫–৭২ টাকা ও আমদানি করা পেঁয়াজ ৭০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে রসুনের দাম কিছুটা কমে বর্তমানে ১৫০–১৬০ টাকায় নেমেছে।

বিক্রেতাদের দাবি, খামারে উৎপাদন খরচ ও পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে খুচরা বাজারে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর তদারকি নেই বলেই দামের লাগাম টানা যাচ্ছে না।



এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪