| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ডাকসু নির্বাচনে নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপানো নিয়ে বিতর্ক, সন্দেহের অবসান চান প্রার্থীরা

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫ ইং | ১০:৪২:৪৫:পূর্বাহ্ন  |  ১২৭৯২৮৪ বার পঠিত
ডাকসু নির্বাচনে নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপানো নিয়ে বিতর্ক, সন্দেহের অবসান চান প্রার্থীরা
ছবির ক্যাপশন: ডাকসু নির্বাচনে নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপানো নিয়ে বিতর্ক, সন্দেহের অবসান চান প্রার্থীরা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ব্যালট পেপার নীলক্ষেতে অরক্ষিত অবস্থায় ছাপা হয়েছে—ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই এমন অভিযোগ করে আসছিলেন প্রার্থীদের কেউ কেউ।

এর জবাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, যেভাবে ব্যালট ছাপানো হয়েছে, তা নীলক্ষেতের কোনো দোকানে সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই বক্তব্যের পরও বিতর্ক থামছে না। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানামুখী আলোচনা চলছে।

এমন এক পরিস্থিতিতে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন একদল শিক্ষার্থী, তাদের অনেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করে নীলক্ষেতের একটি ছাপাখানায় বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার অরক্ষিত অবস্থায় পাওয়াসহ ১১টি অভিযোগ তুলে ধরেন ডাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা বলেন, নীলক্ষেতের গাউসুল আজম মার্কেটের যে ছাপাখানায় ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছিল, সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো নজরদারি ছিল না।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নীলক্ষেতের গাউসুল আজম মার্কেটের জালাল প্রিন্টিং প্রেসে ডাকসু নির্বাচনের ৯৬ হাজার ব্যালট ছাপানো হয়েছে। একই মার্কেটের মক্কা পেপার কাটিং হাউস নামের আরেকটি দোকানে নির্ধারিত মাপে কাটা হয়েছে ৮৮ হাজার ব্যালট। প্রতিবেদনে ৮ হাজার ব্যালটের হিসাবের গরমিলের কথা উল্লেখ করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে জালাল প্রিন্টিং প্রেসের মালিক মো. জালালের ভিডিও সাক্ষাৎকার যুক্ত করা হয়। সেখানে জালালকে বলতে শোনা যায়, ফেরদৌস ওয়াহিদ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ব্যালট ছাপানোর কাজ পান। ৯৬ হাজারের মতো ব্যালট ছেপেছেন। তিন দিনে এই কাজ শেষ করেছেন।

যথাযথ প্রশ্ন থাকলে প্রশাসনের উচিত সেগুলো অ্যাড্রেস করা। কিন্তু টু দ্য পয়েন্ট প্রশ্ন না করে বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের মতামতকে সম্মান না করার প্রবণতাটাকে আমরা একটা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে গাউসুল আজম মার্কেটের জালাল প্রিন্টিং প্রেসে যান। তখন প্রেস বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর সন্ধ্যায় আবার জালাল প্রিন্টিং প্রেসে গেলে এর স্বত্বাধিকারী মো. জালালকে পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যালট পেপার ছাপানোর বিষয়ে তিনি বেশি কিছু বলতে রাজি হননি। শুধু বলেছেন, ‘এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জিজ্ঞেস করেন, আমাকে না।’

৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন হয়। ভোটার ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। নির্বাচনে ডাকসুর ২৮টি পদের ২৩টিতে জিতেছে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। প্রচারের শুরু থেকে ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল। অবশ্য ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন প্রার্থী কিছু অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। ডাকসুর নির্বাচিতরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যালট পেপার অরক্ষিত অবস্থায় ছাপানোর বিষয়টি সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের গতকাল  বলেন, গাউসুল আজম মার্কেটে ব্যালট পেপার ছাপানোর বিষয়টি প্রশাসন অস্বীকার করছে। কিন্তু আমরা এখন শুনছি সেখানে ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে এসব বিষয়ে দ্রুত জবাব আশা করি।-প্রথম আলো



রিপোর্টার্স২৪/ঝুম 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪