চবি প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কে. ইসলাম ফাহিমের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত ও তাবারুক বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ঐতিহাসিক মঙ্গল শাহ জামে মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। চবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কে. ইসলাম ফাহিমের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতাকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও রাষ্ট্রগঠনে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে নেতৃত্ব দিয়ে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন এবং উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনি দেশের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং ছাত্রসমাজের ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রার্থনা করা হয়।
মোনাজাত শেষে উপস্থিত মুসল্লি, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তাবারুক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আইনুল হোসেন সাগর, এ এফ রহমান হল সংসদের খেলাধুলা ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাইমুর রহমান রাফসান, যুগ্ম সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ, ছাত্রদল নেতা শহিদুল ইসলামসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
কর্মসূচির উদ্যোক্তা কে. ইসলাম ফাহিম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা অর্জন ও স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখে গেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে তিনি জাতিকে নতুন পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তাঁর আদর্শ ও নীতি আমাদের রাজনৈতিক পথচলার অনুপ্রেরণা। এমন একজন নেতার শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া আয়োজন করাকে আমি আমার নৈতিক দায়িত্ব মনে করি।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বের ইতিহাস তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রেরণা পায়।