রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেট অফিস থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। তবে বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েয়েড ফেসবুক পেজে ওই চিঠি প্রকাশ করে এ তথ্য জানান অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান।
এদিকে রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা শুধু দুঃখজনক নয়, বরং রাষ্ট্রের মর্যাদাকেও আঘাত করে।
তিনি আরও বলেন, আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছি। সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি। স্বাধীনতার পর হতে অদ্যবধি যা হয় নাই তাই করছি। প্রায় অর্ধশতাধিক অর্ডিন্যান্স জারি করে সরকারকে আইনগত পূর্ণ সহযোগিতা করছি। সরকার আইনগতভাবে সবল অবস্থানে আছে। ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দেশের সংকটকালে আমার কার্যক্রমও প্রনিধানযোগ্য।
পরবর্তী সময়ে সরকারের উত্থাপিত সকল কার্যক্রমে আমার অবস্থান স্বতঃস্ফূর্ত এবং ইতিবাচক। তবে কেন? ছবি অপসারণের ক্ষেত্রে এরূপ দৃষ্টিকটু উদ্যোগ নেওয়া হলো? এতে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা একজন সচেতন নাগরিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হলো অপমানিত।
চিঠির শেষে এবিষয়ে কোনো অনুযোগ নেই, আর্তনাদ আছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রাষ্ট্রপতি ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। তবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এখনও চিঠিটি পেয়েছেন কিনা সেটি নিশ্চিত করতে পারেননি সায়ের।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে