রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :গাজার যুদ্ধ শাসনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু—দুজনের মধ্যে এক উত্তেজনাপূর্ণ ফোনালাপের খবর পাওয়া গেছে। ট্রাম্প যেখানে হামাসের আংশিক সম্মতিকে “বিজয়” হিসেবে দেখেছেন, সেখানে নেতানিয়াহু সেটিকে অবমূল্যায়ন করেছেন।
সূত্র মতে, হামাস যখন মার্কিন শান্তি প্রস্তাবে আংশিকভাবে সম্মতি জানায়, তখন ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করে বলেন —“this is a positive step” তবে নেতানিয়াহু সেই প্রস্তাবকে “উদযাপনযোগ্য কিছু নয়” বলে অভিহিত করেন এবং জানান —“এর কোনো অর্থ নেই।”
এই উত্তরে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেন: “I don’t know why you’re always so f***ing negative. This is a win. Take it.”
যদিও কথোপকথনের এই অংশগুলোর কোনো পূর্ণ রেকর্ড প্রকাশ পাওয়া যায়নি, কিন্তু প্রচলিত সংবাদসূত্র এই উত্তপ্ত মুহূর্তটিকে দুই নেতার মধ্যে গভীর কূটনৈতিক ফাটলরেখা হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।
ফোনালাপের কিছু সময় পর ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।প্রায় তিন ঘণ্টার মধ্যেই নেতানিয়াহুও বিমান হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন।পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, দুই নেতার অবস্থান এখন অনেকটাই মিলেছে; নেতানিয়াহু ভিডিওবার্তায় ট্রাম্পকে প্রশংসা করেছেন এবং তাদের নীতি-দৃষ্টিভঙ্গি সামঞ্জস্য করার চেষ্টা করেছেন।
একই সঙ্গে নেতানিয়াহু ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের জানিয়েছেন, তিনি হামাসের গতিবিধিকে ট্রাম্প প্রস্তাবের “প্রত্যাখ্যান” হিসেবে দেখছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে চান।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই ফোনালাপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রত্যয় ও চাপ প্রয়োগের ইচ্ছাকে তুলে ধরে।
মিশরে আগামী দিনগুলিতে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার কথা রয়েছে, যেখানে স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তবে যুদ্ধবিরতির চুক্তি সফল করতে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে — গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, বন্দিদের মুক্তি ও নিরাপত্তা গ্যারান্টি। দুই পক্ষকে এসব বিষয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড আলোচনায় যেতে হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি