গাজীপুর প্রতিনিধি: তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১৬ বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ১৪ জন বিডিআর সদস্য।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ৯ জন, বিকেলে ৪ জন এবং সন্ধ্যায় আরো ১ জন মুক্তি পান। এ সময় কারাফটকে তাদের আত্মীয়-স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার২-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গত মঙ্গলবার রাতে জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের জামিনে মুক্তি দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার পিলখানায় ‘বিডিআর’ সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিদ্রোহের ঘটনায় পরদিন ২৬ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়।
হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলা হিসেবে বিবেচিত। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। পরে আদালতে নির্দোষ প্রমাণ হওয়ায় ২৭৮ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি