| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পুতিনের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষোভ, রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৩, ২০২৫ ইং | ০৫:৩৮:৫৩:পূর্বাহ্ন  |  ১৩৯৫২৮০ বার পঠিত
পুতিনের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষোভ, রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এবার ভ্লাদিমির পুতিনের  বিরুদ্ধে নতুন এক শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ঘোষণা করেছে, রাশিয়ার দুই বৃহত্তম তেল কোম্পানি  রসনেফট ও লুকোইলকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নেওয়া হয়েছে, কারণ তারা ক্রেমলিনের ‘যুদ্ধ যন্ত্রকে’ অর্থ দান করছে। 

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বুদাপেস্টে পরিকল্পিত বৈঠকটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার একদিন পর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।এর আগে বুধবার, ইউক্রেনে রাশিয়ার বোমাবর্ষণে শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়।


ট্রেজারি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান রুশ তেল ও গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে আগ্রাসন চালাতে সাহায্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

ওই সঙ্গে, যুক্তরাজ্যও রসনেফট ও লুকোইল-সহ রুশ জ্বালানি সেক্টরের বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করেছে। তারা বলেছে, রুশ তেলের বাজার থেকে একধাপ এগিয়ে বন্ধ করা হবে। 

ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, আলোচনায় তখনই অগ্রগতি সম্ভব যখন যুদ্ধরত ফ্রন্টলাইনে লড়াই অবিলম্বে বন্ধ হবে আর তিনি মনে করছেন, পুতিন শান্তিচুক্তিতে আন্তরিক নয়। এর পরের দিনই এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসে।

রাশিয়ার দূতাবাস অবশ্য সতর্ক করেছে, এই ধরনের পদক্ষেপ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে ও শান্তি আলোচনা জটিল করবে।

ক্রেমলিন মুখপাত্র বলছেন, নতুন নিষিদ্ধাজ্ঞাগুলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে “কোনো রকম বিবেচনায় ছাড় দেয়া হবে না” এমন হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করেছে। সূত্র : বিবিসি

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিবৃতিতে আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ “শত্রু” পদক্ষেপ এবং রাশিয়া উপযুক্ত সময় ও উপায়ে প্রতিক্রিয়া দেবে। রেসকোভ বলছেন, রাশিয়া “মন দিয়ে বিশ্লেষণ করছে” পরিস্থিতি, এবং এমন সিদ্ধান্ত নেবে যা তাদের দেশের ও কোম্পানিগুলোর স্বার্থ রক্ষা করবে। 

রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই নিষিদ্ধাজ্ঞার মধ্যেও তারা তেল ও গ্যাস খাতের বড় প্রকল্পগুলো থামাবে না। তারা বলছে — “আমরা এখনো এবং ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারে অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার” রয়ে যাব। 

রেসকোভ  আরও বলেছেন, “যেখানে এক জায়গায় রাস্তাটি বন্ধ হবে, অন্য কোথাও বিকল্প পথ খুলে যাবে” — অর্থাৎ রাশিয়া রপ্তানিতে নতুন রুট ও অংশীদার খুঁজে নেবে। 

রাশিয়া মনে করছে যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের তেলের রপ্তানি ও অর্থায়নের পথ বন্ধ করার চেষ্টা করছে, যা “হামলা” হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এই ধরনের নিষিদ্ধাজ্ঞা শুধু তাদের দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না বরং মূল্যবান জ্বালানি সরবরাহ ও স্থিতিশীলতা সাপেক্ষে ভারসাম্যহীনতার দিকে ধাক্কা দিচ্ছে। 


রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪