| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফকে পদত্যাগের পরামর্শ

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৩, ২০২৫ ইং | ১২:৩৯:০৬:অপরাহ্ন  |  ১৩৯৪৩২৫ বার পঠিত
উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফকে পদত্যাগের পরামর্শ
ছবির ক্যাপশন: স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে দুই ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা আরো সময় নিতে চেয়েছেন। এই দুই উপদেষ্টা হলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়।

সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজ আলম আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না এবং সরকারে থাকতে চান। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করতে পারেন। তবে কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

দুই উপদেষ্টা এই বিষয়ে সরাসরি কোনো বক্তব্য দেননি। তবে আসিফ মাহমুদ ১৪ আগস্ট জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন। মাহফুজ আলম ২৮ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে বলেন, দুই মাস ধরে আমি অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি যে কখন পদত্যাগ করি, আমি জানি না।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ২৩ জন, যার মধ্যে দুজন ছাত্র প্রতিনিধি।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, ছাত্র প্রতিনিধিরা উপদেষ্টা পরিষদে শেষ পর্যন্ত থাকতে চাইছেন। তারা মনে করেন, না থাকলে উপদেষ্টা পরিষদে কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারেন।

প্রথমে উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন ছাত্র প্রতিনিধি মো. নাহিদ ইসলাম। পরে তিনি পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠন করেন। মাহফুজ আলম শুরুতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন, পরে তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব পান। আসিফ মাহমুদ শুরুতে শ্রম ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দুই ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টা এনসিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এবং দলের পরামর্শক ভূমিকা পালন করেন। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংকটের সময়ও এনসিপির বৈঠকে একজন ছাত্র প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।

তবে এনসিপি নেতারা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় বিভিন্ন দলের নামের ভিত্তিতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল। তাই শুধুমাত্র দুজন ছাত্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে বলা গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে চলমান বক্তব্য সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের মন্তব্য জনগণের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে। দুই ছাত্র উপদেষ্টার উচিত পদত্যাগ করা অথবা ঘোষণা দেওয়া যে তারা নির্বাচন করবেন না এবং এনসিপির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে, এবং ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন, অনেক উপদেষ্টা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ তৈরি করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের কিছু উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। সূত্র: খবরের কাগজ

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪