ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে (সিআইএ) অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন রণতরীর উপস্থিতি দেখা যাওয়ার পর গতকাল থেকে নিজেদের উপকূল রক্ষায় সামরিক মহড়া চালাচ্ছে ভেনেজুয়েলা।
শনিবার ২৫ অক্টোবর) ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো বলেন, আমরা উপকূল সুরক্ষায় একটি সামরিক মহড়া চালাচ্ছি, যা ৭২ ঘণ্টা আগে শুরু হয়েছে। বড় আকারের সামরিক হুমকি মোকাবিলার পাশাপাশি মাদক পাচার, সন্ত্রাসী হামলা ও দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে—এমন গোপন অভিযান থেকে নিজেদের রক্ষা করাও এই মহড়ার উদ্দেশ্য।
ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, নয়টি উপকূলীয় প্রদেশে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া মাদুরোর বেসামরিক মিলিশিয়ার এক সদস্যকে রাশিয়ার তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে দেখা গেছে।
গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন বাহিনীগুলো ১০টি কথিত মাদকবাহী নৌযানে বোমা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে আটটি হামলাই হয়েছে ক্যারিবীয় সাগরে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো নিজেই এক মাদকচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে মাদুরো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর ৮টি নৌযান, ১০টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও পারমাণবিক শক্তিচালিত ১টি সাবমেরিন মোতায়েন করেছে। তবে কারাকাসের দাবি, এই অভিযানের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র আসলে ভেনেজুয়েলা সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে।
রিপোর্টার্স২৪/টিআই