| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তত্ত্বাবধায়ক ফিরলেও নির্বাচন করবে অন্তর্বর্তী সরকার: জামায়াত আইনজীবী

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৮, ২০২৫ ইং | ০৯:১৮:২৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৩২২৮০০ বার পঠিত
তত্ত্বাবধায়ক ফিরলেও নির্বাচন করবে অন্তর্বর্তী সরকার: জামায়াত আইনজীবী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসলেও এ পরিস্থিতিতে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই আগামী এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা বলা আছে। এখন তো কোনো সংসদ নেই। সংসদ ভেঙে গেছে এক বছরের বেশি সময় আগে। অন্তর্বর্তী সরকার দেশ চালাচ্ছে। এছাড়া আরও কিছু সাংবিধানিক জটিলতা রয়েছে। এ কারণে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন নির্বাচনে এটি কার্যকর করা সম্ভব নয়। 

এর আগে সকালে আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল সংক্রান্ত মামলায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন শিশির মনির। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

এর আগে গত ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ অক্টোবরের শুনানিতে ইন্টারভেনর হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী। এর আগের দিন রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া।

গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেন আদালত। পরে ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হলে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে। তবে ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ ওই সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

পরে একই বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়। ৩ জুলাই ওই সংশোধনীর গেজেট প্রকাশ করা হয়।

সরকার পরিবর্তনের পর ৫ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট নাগরিক। পরবর্তীতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও একই দাবি নিয়ে আবেদন করেন।

বর্তমানে আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল সংক্রান্ত আপিলের শুনানি চলছে।

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪