| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ৩১, ২০২৫ ইং | ১৪:১১:২০:অপরাহ্ন  |  ১৩১৫৪৫২ বার পঠিত
কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত
ছবির ক্যাপশন: কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরে ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি’ পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম শরীয়তপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত 'কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলায় ১০টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু করে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় পাঁচহাজারের অধিক শিক্ষার্থী শ্রেণিভেদে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সকাল থেকেই কেন্দ্রে ছিল উৎসবের আমেজ।

প্রতিবছরের মতো এবারও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন এ আয়োজন করেছে।


কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের জেলা চেয়ারম্যান সাখাওয়াত কাউসার বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীরা কেবল পাঠ্যবই নয়, চারপাশের জগত সম্পর্কেও জানতে শিখুক। এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে তারা জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী হবে, পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে, সমাজে কিশোর অপরাধ কমবে। আমরা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন করতে চাই। কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন প্রতি বছরের মতো এবারও মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেছে। শরীয়তপুরে আজকে পাঁচ হাজার তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এতে প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থী মেধাবী। আমরা মেধাবীদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ মেধাবী বাছাই করতে চাই এবং তাদের নিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাব।’

পরীক্ষা পরিদর্শনে আসেন সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রনেতা ও সাবেক ছাত্রশিবিরের ঢাবি সভাপতি, শরীয়তপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ বলেন, ‘কিশোরকণ্ঠের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এটি শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব জাগিয়ে তুলবে, বইয়ের বাইরে সাধারণ জ্ঞানেও পারদর্শী হতে উৎসাহ দেবে।’

পরীক্ষা পরিদর্শনে এসেছিলেন জেলার শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকরা। সবার মুখে এক কথাই, এমন আয়োজন কেবল প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিশু-কিশোরদের মনের বিকাশের এক আলোকিত মঞ্চ।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেছে। আমাদের অনেকেরই আগে কোনো বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়নি। এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই খুশি।’ 

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া এসেছিল মায়ের হাত ধরে। পরীক্ষার পর তার চোখে উচ্ছ্বাস, এমন পরীক্ষা আমাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায়। প্রতিযোগিতা হয়, বন্ধুরা সবাই চেষ্টা করে ভালো করতে। আমি চাই প্রতিবছর এমন আয়োজন হোক।

শুধু রিয়া নয়, তার মতো আরও হাজারো শিক্ষার্থী আনন্দ ও উৎসাহ নিয়ে অংশ নিয়েছে এই মেধার উৎসবে।

কেন্দ্রে উপস্থিত এক অভিভাবক বললেন, ‘গ্রামের বাচ্চারাও যদি এমন সুযোগ পায়, তাহলে তারা নিজেদের মেধা দিয়ে বড় হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। এমন আয়োজন আমাদের সন্তানদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে।’

পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন এর দেয়া ফটো ফ্রেমে ছবি তোলে এবং উৎসবে মেতে ওঠে। দুপরে পরীক্ষাকেন্দ্রের আঙিনা ফাঁকা হলেও বাতাসে রয়ে যায় এক অন্যরকম অনুভূতি—

মেধা, মনন আর প্রতিযোগিতার মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে কিশোরকণ্ঠের এই আয়োজন।

রিপোর্টার্স২৪/ প্রীতিলতা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪