| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যোগাযোগে শৃঙ্খলা না আনলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০২, ২০২৫ ইং | ০৯:৪৭:১০:পূর্বাহ্ন  |  ১৩২০৩২৫ বার পঠিত
যোগাযোগে শৃঙ্খলা না আনলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৃতি, পরিবেশ ও নদীকে নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথের সমন্বিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন হযবরল অবস্থায় রয়েছে। এটাকে দ্রুত শৃঙ্খলায় না আনলে পুরো ব্যবস্থাটাই অর্থনীতির জন্য গলার ফাঁসে পরিণত হবে।

রোববার (২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় “সেন্ট্রাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অব বাংলাদেশ”–এর প্রান্তিক মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই কাজটা করতে হবে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। নদীর ওপর কোনো আঘাত করা যাবে না। পানিকে শান্ত রাখতে হবে কারণ পানি আমাদের জন্য এক বিশাল সম্পদ।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন ও ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, এবং সংশ্লিষ্ট সচিব ও কর্মকর্তারা।

বৈঠকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ একটি প্রাথমিক কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। এতে দেশের বিদ্যমান সড়ক, রেল ও নৌপথকে সমন্বিত করে কিভাবে একটি সুশৃঙ্খল ও কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তার রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে। এখন এটিকে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পরিকল্পনাটি করতে হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে মাথায় রেখে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গেও আমাদের সংযোগ বাড়াতে হবে।”

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন ড. শেখ মইনউদ্দিন বলেন, “যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি সামষ্টিক মডেল দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে, যার মাধ্যমে অর্থনৈতিক লাইফলাইন তৈরি হবে।”

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “যেসব স্থানে ছোট কিছু সড়ক নির্মাণেই পুরো অঞ্চলকে জাতীয় কানেক্টিভিটির আওতায় আনা সম্ভব, সেখানে দ্রুত পরিকল্পনা নিতে হবে।”

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি প্ল্যানার্স উইং গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও পরিকল্পিতভাবে করা যায়।

বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে আরও তিনটি নতুন বন্দর চালু হবে। তাই এসব বন্দর থেকে সড়ক যোগাযোগ সহজ ও কার্যকর করতে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।”

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪