| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আজ রাতের আকাশে বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন ঝলকাবে

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০৫, ২০২৫ ইং | ০৬:৪২:১৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৩১৫১১৮ বার পঠিত
আজ রাতের আকাশে বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন ঝলকাবে
ছবির ক্যাপশন: আজ রাতের আকাশে বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন ঝলকাবে

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: এ সপ্তাহে রাতের আকাশে দেখা মিলবে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, অর্থাৎ বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এই মহাজাগতিক সৌন্দর্যের পূর্ণিমা রাতটি বিশেষভাবে মোহনীয় হবে।

বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে আজ রাতটি উদযাপন করা হবে ঐতিহ্যবাহী ‘বনফায়ার নাইট’ হিসেবে। তাই এ রাতটি হবে আলো, ঝলক ও রঙের এক মায়াবী সমাহার। যখন চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসে এবং সেই সময়ে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে বলা হয় সুপারমুন। এই সময় চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় অনেক বড় এবং ঝলমলে দেখায়। ২০২৫ সালের তিনটি পরপর সুপারমুনের মধ্যে আজকেরটি দ্বিতীয়।

চাঁদ পৃথিবীকে একদম বৃত্তাকার পথে আবর্তন করে না। এর কক্ষপথ ডিম্বাকৃতি বা উপবৃত্তাকার। ফলে কখনো চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি আসে, আবার কখনো দূরে সরে যায় (অ্যাপোজি)। পেরিজিতে চাঁদ পৃথিবী এ সপ্তাহে রাতের আকাশে দেখা মিলবে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, অর্থাৎ বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এই মহাজাগতিক সৌন্দর্যের পূর্ণিমা রাতটি বিশেষভাবে মোহনীয় হবে।

এ সপ্তাহে রাতের আকাশে দেখা মিলবে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, অর্থাৎ বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এই মহাজাগতিক সৌন্দর্যের পূর্ণিমা রাতটি বিশেষভাবে মোহনীয় হবে।এ সপ্তাহে রাতের আকাশে দেখা মিলবে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, অর্থাৎ বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এই মহাজাগতিক সৌন্দর্যের পূর্ণিমা রাতটি বিশেষভাবে মোহনীয় হবে থেকে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মাইল দূরে থাকে, আর অ্যাপোজিতে দূরত্ব প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মাইল।

যদি পূর্ণিমার সময় চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে বা পেরিজির ৯০ শতাংশ কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, তখন তাকে বলা হয় সুপারমুন। এ সময় চাঁদ আকাশে সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় বড় এবং আরও উজ্জ্বল দেখায়। ১৯৭৯ সালে জ্যোতিষী রিচার্ড নোল প্রথম ‘সুপারমুন’ শব্দটি ব্যবহার করেন। সেই সময় থেকেই এই মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ ও নথিভুক্ত হচ্ছে।

নভেম্বরের এই সুপারমুনকে ‘বিভার মুন’ বলা হয়। বহু শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সংস্কৃতি, বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার আদিবাসী সম্প্রদায় এবং প্রাচীন ইউরোপীয়রা এ নাম ব্যবহার করে আসছে। নামের উৎপত্তি এসেছে বিভারদের শীতের প্রস্তুতি এবং খাদ্য সংগ্রহের সময়ের সাথে। ১৬০০ শতকে যুক্তরাজ্যে বিভার শিকারের প্রচলন ছিল, যার কারণে দেশটির প্রকৃতি থেকে কিছু বিভার বিলুপ্ত হয়ে যায়।

এই সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে হলে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকা আবশ্যক। তাই আকাশ কোথায় স্বচ্ছ থাকবে তা জানতে আবহাওয়া রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, যাতে চাঁদ দেখার জন্য সেরা স্থান নির্বাচন করা যায়।

 

রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪