| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জনমতের ভিত্তিতে হতে হবে সংবিধান সংস্কার: ড. কামাল হোসেন

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০৬, ২০২৫ ইং | ১৭:৩২:৪১:অপরাহ্ন  |  ১২৯৫৯৩৩ বার পঠিত
জনমতের ভিত্তিতে হতে হবে সংবিধান সংস্কার: ড. কামাল হোসেন
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টারস২৪ ডেস্ক: গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার এক নথি। গত ৫৩ বছর ধরে এটি নানা বার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এসেছে। সংবিধান সংশোধন একটি সংবেদনশীল বিষয়, যা অবশ্যই জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের সংবিধান ও সংস্কার প্রস্তাব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান।

ড. কামাল বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংবিধান পর্যালোচনা অত্যন্ত জরুরি। তবে যে কোনো সংস্কারকালে আমাদের মনে রাখতে হবে সংবিধান আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি, আমাদের সকল মানুষের ত্যাগ ও ঐক্যবদ্ধ আকাঙ্ক্ষার ফল।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তিই এককভাবে সংবিধান পরিবর্তনের অধিকার রাখে না। সংস্কারের প্রস্তাবে অবশ্যই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন থাকতে হবে, এবং তা অবশ্যই সমাজের বর্তমান চাহিদার সঙ্গে আমাদের মৌলিক মূল্যবোধের সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

ড. কামাল উল্লেখ করেন, সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ ও গণতন্ত্রহীনতার জন্য শুধু সংবিধানকে দায়ী করা ঠিক হবে না। বরং সরকারের ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক অনুশীলন সর্বপ্রথমে নিশ্চিত করতে হবে। বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দলীয়করণর কারণে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, সেসব পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্য গড়তে ব্যর্থ হলে গণতন্ত্র কখনওই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে না।

আলোচনা সভায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সংবিধানে গণভোটের সুযোগ নেই। গণভোটের সুযোগ রাখতে হলে সংশ্লিষ্ট বিধান সংসদে আলোচনা ও জনগণের মতামত নিয়ে সংশোধন করতে হবে।

তিনি বলছেন, সংবিধানে নেই অথচ গণভোট হলে কেন এটি প্রশ্নবিদ্ধ। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পুনঃস্থাপন করতে হবে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, জমি কেনা হয়েছে দলিল একভাবে আর পরে পরিবর্তন হয়েছে; অনুরূপ ভাবেই “গণভোট” করিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর অফিস করার অধিকার নেই কেননা মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে তাদেরও অংশ ছিল।

সভাপতির বক্তব্যে গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান (৪ নভেম্বর গ্রহণ) অক্ষত রাখতে হবে। যে কোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তা জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বমূলক সংসদের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবসে অন্তর্বর্তী সরকার একটি বিবৃতি দেয়নি এর মানে তারা ওই সংবিধান ধারণ করে না, উল্টো ‘সংস্কারের নামে সংবিধান ধ্বংস’ করতে চাচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪