আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, বিএনসিসি আত্মসম্মান ও শৃঙ্খলার বিষয়। এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত যা ক্যাডেটদের সনদ পেতে সাহয্য করে এবং তাদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনায় সহায়তা করতে পারে। তাদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগও তৈরি করতে হবে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুক্রবার (১১ নভেম্বর) ‘বিএনসিসি’র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ আল মাসুদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপস্থিতিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং যুব উন্নয়নকে সংহত করার সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও নাগরিক দায়িত্বের মাধ্যমে জাতীয় রূপান্তর এজেন্ডার মধ্যে যুব উন্নয়নকে একসঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
ড. ইউনূস বলেন, আমরা সবাই বিএনসিসিকে সমর্থন করি, তবে আমাদের মানের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে এবং আমাদের ভালো, বিশ্বাসযোগ্য প্রশিক্ষক রয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ আল মাসুদ তার বক্তব্যে বলেন, বিএনসিসি বর্তমানে ৫৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করেছে এবং সারা দেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাখা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএনসিসিতে যোগদানের প্রাথমিক বয়স ১৭–১৮ বছর, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেটকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনসিসিকে আরও কার্যকর ও কার্যকরী করার ওপর গুরুত্বারোপ করছি। কী ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা এই স্বেচ্ছাসেবকদের একত্রিত করতে পারি তা আমাদের বিবেচনা করতে হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি