| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে সমর্থন চাইলেন উপদেষ্টা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৫, ২০২৫ ইং | ১২:৩১:৩৫:অপরাহ্ন  |  ১২৩৭০৫৭ বার পঠিত
আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে সমর্থন চাইলেন উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার: আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার (আইএমও) কাউন্সিল নির্বাচনে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে সমর্থন চেয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন। আগামী দুই বছরের জন্য ৪০ সদস্যের এই কাউন্সিল নির্বাচনে বাংলাদেশ ‘সি’ ক্যাটাগরিতে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, লন্ডনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার (আইএমও) ৩৪তম সাধারণ অধিবেশনে তিনি বৈশ্বিক নৌপরিবহন খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অবদান ও সাম্প্রতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। অধিবেশনে বিশ্বের ১৭৬টি সদস্য দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাচনে ১৭৫টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি শিপ রিসাইক্লিং, শিপ বিল্ডিং, নৌবাণিজ্য এবং বিশ্বমানের নৌ প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, স্বল্পোন্নত দেশ ও দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রতি বছর ১০টি বৃত্তি দেবে। 

উপদেষ্টা বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ একটি উপকূলীয় অর্থনীতি থেকে উদীয়মান মেরিটাইম দেশে রূপ নিয়েছে-যেখানে আধুনিকায়ন, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিচ্ছে। 

চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর ডিজিটালাইজেশন ও অবকাঠামো উন্নয়নের অগ্রগতির কথাও তিনি তুলে ধরেন। উল্লেখ করেন, নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর দক্ষিণ এশিয়াকে সরাসরি বৈশ্বিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করবে। 

বাংলাদেশের মানবসম্পদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন নৌবহরে কর্মরত বাংলাদেশের ২১ হাজারেরও বেশি নাবিক দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও নির্ভরযোগ্যতার পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বজায় রাখছেন। তারা শুধু কর্মী নন, তারা সমুদ্রপথে বাংলাদেশের দূত, মন্তব্য করেন তিনি।

আইএমও–এর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ ও গঠনমূলক অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ আইএমও–র বিভিন্ন কমিটি, বিশেষ করে উপকরণ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত উপ-কমিটিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যা ন্যায্য, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল বৈশ্বিক সামুদ্রিক বিধিমালা বাস্তবায়নে সহায়তা করছে। আইএমও কাউন্সিলে পুনর্নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল সামুদ্রিক দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নে ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে। পাশাপাশি নাবিক ও মেরিটাইম সেক্টরে পেশাগত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, জলবায়ু-সহনশীল লো-কার্বন শিপিংকে সমর্থন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আইএমও গঠনে নেতৃত্ব দেবে-যেখানে বড়-ছোট সব সদস্য রাষ্ট্র সমান সুযোগ পাবে।

অধিবেশনজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আলোচনা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে বাংলাদেশ তার প্রার্থিতা এবং বৈশ্বিক নৌপরিবহনে ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরে সফলভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। 

লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪