রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এসপিদের মতোই ওসিদের নিয়োগও হবে লটারির মাধ্যমে, যাতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা যায়। জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা অবস্থা বিবেচনা করে যে তিনটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে, তার ভিত্তিতেই এ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। উপদেষ্টার দাবি, মেধাবী বা যোগ্য কোনো কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ায় বঞ্চিত হননি।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে এডিপি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে সব নিয়োগ সম্পন্ন করেছে, সেখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করারও অনুরোধ জানান তিনি। আমার ক্ষেত্রেও যদি কোনো অভিযোগ থাকে সেটাও জনসমক্ষে আনতে হবে।
দেশের সর্বত্র দুর্নীতির প্রচলিত চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। একদিনে তা নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে আমরা কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। সড়কে চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ না হলেও উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে।
সারের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট বক্তব্য দেন। এই সরকারের মেয়াদে সারের দাম আর বাড়বে না। কৃষকের ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও কোনো ধরনের অবৈধ বাণিজ্য কিংবা টাকা-পয়সার লেনদেন বরদাস্ত করা হবে না। যেখানে দুর্নীতি পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যোগ করেন তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম