| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘রেগুলেটরি সংস্থার বিধিমালা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই’

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ইং | ১৭:০২:৫৮:অপরাহ্ন  |  ১২২২২২২ বার পঠিত
‘রেগুলেটরি সংস্থার বিধিমালা এবং শাস্তিমূলক  ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই’

সিনিয়র রিপোর্টার: সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ বলেন, এমএফএস অপব্যবহার প্রতিরোধে আমাদের সামনে থাকা প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, তথ্য বিনিময় এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা অপরিহার্য এবং প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষভাবে, রেগুলেটরি সংস্থার বিধিমালা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৬ নভেম্বর)  ঢাকার সিআইডি সদর দপ্তরে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় সিআইডির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাটি অত্যন্ত সাবলীল ও অংশগ্রহণমূলক ছিল। অংশগ্রহণকারী আলোচকদের মধ্যে এমএফএস ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ, যেমন প্রতারণা, মানবপাচার, চোরাচালান, হুন্ডি, অর্থপাচার এবং অনলাইন জুয়া ও বেআইনি গেমিং সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। 

সভায় ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন সংস্থার (বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএফআইইউ, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, মিডল্যান্ড ব্যাংক, বিকাশ লিমিটেড, নগদ, রকেট, উপায়, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং সিটিটিসি (ডিএমপি) পেশাদার বিশেষজ্ঞগণ এ বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা, ধারণা এবং পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।  আমন্ত্রিতদের মধ্যে  কলিম উদ্দিন হাসান তুশার জেডি বিএফআইইউ, মিয়া মোহম্মদ আলী ফিরোজ জেডি পিএসডি বাংলাদেশ ব্যাংক, মো. নাজিবুর রহমান এনডিসি, পিএইচডি অ্যাডভাইজর বিকাশসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন। 

বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল কিভাবে সীমিত পরিচয় নির্ভর এমএফএস অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অস্বাভাবিক অর্থপ্রবাহ করা হয়, অপরিচিত বা গোপন পরিচয় ব্যবহার করে লেনদেন করা হয় এবং অপরাধলব্ধ অর্থ স্থানান্তরের নানা কৌশল প্রয়োগ করা হয়।

সিআইডির কর্মকর্তাগণ তাদের স্ব স্ব উপস্থাপনায় ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তবে যে ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হন তা তুলে ধরেন। তারা মত প্রকাশ করেন যে, ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, বিটিআরসি, বিএফআইইউ ও পিএসডি তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করলে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের মতো অত্যন্ত জটিল এ অপরাধ প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ সংক্রান্তে সিআইডির সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ তাদের অভিজ্ঞতা প্রসূত গুরত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।

এই মতবিনিময় সভার আলোচ্য বিষয় এবং উপস্থাপিত মতামতের ভিত্তিতে এমএফএস অপব্যবহার প্রতিরোধে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করার জন্য ফোকাল পয়েন্ট ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। ভবিষ্যতে সিআইডির নেতৃত্বে এ ধরনের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা, মতবিনিময় ও কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪