আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ১৯৫২ সালে সৌদি সরকার দেশটির অভ্যন্তরে মদ্যপান ও মদ কেনা-বেচা নিষিদ্ধ করে। তবে ২০১৭ সালে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বদল আসতে থাকে দৃশ্যপট। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছর প্রথমবারের মতো অমুসলিম কূটনীতিকদের কাছে মদ বিক্রির অনুমোদন দেয় সৌদি সরকার। এ বছর অমুসলিম বিদেশি নাগরিকদের কাছেও মদ বিক্রির অনুমোদন দিল দেশটি।
সম্প্রতি রাজধানী রিয়াদে একটি মদের দোকান যাত্রা শুরু করেছে। সেখান থেকে দেশটিতে অবস্থানরত অমুসলিম বিদেশি নাগরিকদেরও মদ কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই মদের দোকানের বাইরে দেখা গেছে গাড়ির লম্বা লাইন।
অবশ্য এক্ষেত্রে কিছু শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। যেমন—ক্রেতাকে অবশ্যই অমুসলিম এবং বিদেশি নাগরিক হতে হবে এবং তার মাসিক উপার্জন কমপক্ষে ৫০ হাজার রিয়াল (প্রায় ১৩ হাজার ৩০০ ডলার) হতে হবে।
গত প্রায় এক মাস ধরে সৌদিতে মদ কিনতে পারছেন প্রিমিয়াম ভিসাধারীরা। দেশটিতে বর্তমানে প্রিমিয়াম ভিসাধারী বিদেশির সংখ্যা ১২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সৌদিতে ১৯৫২ সালের আগ পর্যন্ত মদের দোকান ছিল।
তবে ২০১৭ সালে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বদল আসতে থাকে দৃশ্যপটে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌদিকে পুরোপুরি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উপযোগী করতে মনোযোগী হন মোহাম্মদ বিন সালমান। প্রিমিয়াম ভিসাধারীদের জন্য মদের দোকান উন্মুক্ত করাও তার সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সৌদির এক সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে জেদ্দা ও দাহরান শহরেও এমন দু’টি মদের দোকান খোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন