| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চুরি ধরে ফেলায় মা–মেয়েকে হত্যা: ডিএমপি

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫ ইং | ০৮:২১:৫৩:পূর্বাহ্ন  |  ১১৩১৬৭২ বার পঠিত
চুরি ধরে ফেলায় মা–মেয়েকে হত্যা: ডিএমপি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

স্টাফ রিপোর্টার:  রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চুরি ধরা পড়ায় মা ও মেয়েকে হত্যার অভিযোগে গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার আয়েশা নরসিংদী সদর থানার সলিমগঞ্জ এলাকার রবিউল ইসলামের মেয়ে। ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর পূর্বহাটিতে স্বামী রাব্বী সিকদারকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাকে সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সহিদুল ওসমান মাসুম।

তেজগাঁ বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার পর থেকেই একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছিল। প্রথমে তার বাসার অবস্থান শনাক্ত করি। পরে আয়েশার মায়ের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে নিশ্চিত হই যে, সে ঝালকাঠির নলছিটি এলাকায় লুকিয়ে আছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার স্বামী রাব্বীকেও হেফাজতে নেওয়া হয়।

গত সোমবার সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি ১৪তলা ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

মা–মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতেই গৃহকর্মী আয়েশাকে আসামি করে মামলা করেন নিহত লায়লার স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বাসায় প্রবেশ করে এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে আজিজুলের মেয়ের স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এ সময় একটি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়।

মামলার বাদী আজিজুল পেশায় স্কুল শিক্ষক। তিনি জানান, ঘটনার চার দিন আগে আয়েশাকে খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি কর্মস্থল উত্তরা যান। পরে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ না পেয়ে বেলা ১১টার দিকে বাসায় ফিরে মেয়েকে গলায় কাটা অবস্থায় প্রধান ফটকের কাছে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আর স্ত্রীকে রান্নাঘর-সংলগ্ন করিডোরে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪