সিনিয়র রিপোর্টার: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। আমরা শান্তি চাই। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারো উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “৭১’-এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে সর্বস্তরের মানুষ মিলিত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল। আজ বাংলাদেশের মানুষ তাদের কথা বলার অধিকার ও গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়। আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এখানে পাহাড়ের মানুষ, সমতলের মানুষ, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই রয়েছে। আমরা এমন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে একজন নারী, পুরুষ বা শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ফিরতে পারবে। আমি আপনাদের সামনে বলতে চাই, আই হ্যাভ এ প্ল্যান, এবং এটি বাস্তবায়ন করতে চাই।
এর আগে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা গ্রহণের পর তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার আগে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং হাতে একমুঠো মাটি নেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বিমানবন্দরেই তারেক রহমানকে বরণ করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বিমানবন্দর ত্যাগের পর তিনি লাল ও সবুজ রঙের বিশেষ বাসে করে পূর্বাচলের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি