রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ইটিআই- ইলেকশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবনে গিয়ে তিনি আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান প্রদান করেন।
এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনের ফরম পূরণ করেছিলেন। শনিবার ইসিতে এসে বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান) দেওয়ার মাধ্যমে তার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
তিনি আরও বলেন, সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভারে তথ্য যাচাই করবে। কারও সঙ্গে মিল না থাকলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এক্ষেত্রে এটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। তারেক রহমান চাইলে নির্বাচন কমিশন থেকে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা মোবাইলে পাঠানো এসএমএসের মাধ্যমে এনআইডি ডাউনলোডও করা যাবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রচলিত নিয়ম অনুসারেই তারেক রহমানের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ গ্রহণ ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই সব ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়।
শনিবার দুপুর ১টার পর তারেক রহমান ইটিআই ভবনে প্রবেশ করেন এবং আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটের দিকে নির্বাচন কমিশন এলাকা ত্যাগ করেন। নিবন্ধন শেষে বের হওয়ার সময় আগারগাঁও এলাকায় বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকা নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে।
এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন দলীয় স্লোগান দেন। গাড়িবহর বের হওয়ার সময় তিনি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন ভবন ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের নির্বাচন কমিশন ভবনের ভেতরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে তার নাগরিক অধিকার প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা