মিন্টু হক, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড কুয়াশা এবং হাঁড়-কাপানো শীতে মানুষ কার্যত জুবু থুবু। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও আগামী দুই দিন জেলায় শীতের মাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
সারা দিন ঝির ঝিরে বাতাসের সঙ্গে ছোট ছোট কণাদানা শীত জনজীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। গত দুই-তিন দিন ধরে সূর্যের মুখও দেখা যায়নি। দৃশ্যমানতা মাত্র ২০০ মিটারের বেশি নয়। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। রাস্তায় লোকজনের উপস্থিতি অত্যন্ত কম। কর্মজীবীরা প্রায় ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। রিক্সা ও ভ্যানও যাত্রী না পাওয়ায় অপেক্ষায় বসে রয়েছে। চলাচলকারী যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে চলাচল করছে।
হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশু এবং প্রবীণদের অবস্থার অবনতি ঘটেছে। এ সময় বোরো মৌসুম চলছে। কৃষকরা ক্ষেতে কাজ করতে পারছেন না। এ অবস্থা আরও কয়েক দিন চল লে বোরো ধান লাগানো পিছিয়ে পড়বে এবং ধানের চারা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে কৃষি বিভাগ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, আগামী দুই দিন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের তীব্রতা জেলায় প্রায় একই রকম থাকবে। এ বছরের শীত মৌসুমে সারা দেশের মধ্যে বুধবারই গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলো।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি