রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় কার্যত স্থবির হয়ে গেছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ছিন্নমূল, অসহায় এবং দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। গত দুদিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে।
এর আগে, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ আগামী দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও হিমশীতল বাতাসে জেলার রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। তবে জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করে কাজ করতে দেখা গেছে খেটে খাওয়া মানুষদের। জেলার বিভিন্ন মোড়, চায়ের দোকান ও বাজার এলাকায় খড়কুটো, কাঠ ও পুরনো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই অবস্থা আবারও দু-একদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে।
শীতে কাঁপছে মানুষ, চলাচল কমেছে এবং হঠাৎ ঠাণ্ডার প্রভাবে জনজীবনে তীব্র প্রভাব পড়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম