| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পল্লীকবির ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালন

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ০১, ২০২৬ ইং | ১৭:১০:২৭:অপরাহ্ন  |  ১০১৯১০৭ বার পঠিত
পল্লীকবির ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালন

ফরিদপুর প্রতিনিধি :

তুমি যাবে ভাই, যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়; (নিমন্ত্রণ)

এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। (কবর)

ও বাবু সেলাম বারে বার,
আমার নাম গয়া বাইদ্যা বাবু,
বাড়ি পদ্মা পার। (ও বাবু সেলাম বারে বার)

এরকম অনেক জনপ্রিয় কবিতা, গল্প, নাটক আর গানের মাধ্যমে গ্রামবাংলার মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরে যে কবি পেয়েছিলেন ‘পল্লীকবি’ উপাধি, সেই কবি জসীম উদ্দীনের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী ১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মস্থান ফরিদপুর শহরতলীর কুমার নদের পাড়ে অম্বিকাপুরে পালিত হয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে ফরিদপুর শহরতলীর অম্বিকাপুরে কবির সমাধিস্থলে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশন, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সোহরাব হোসেন, রামানন্দ পাল, প্রেসক্লাব সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দীকি, প্রফেসর এম এ সামাদ, মফিজ ইমাম মিলন প্রমুখ।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, পল্লীকবি আমাদের প্রাণের কবি। কবির সৃষ্টকর্মে সহজ-সরল গ্রামীণ বাংলার যে সারল্য রয়েছে, তা যদি আমরা ধারণ করতে পারি এবং সমাজে সঞ্চারিত করতে পারি, তাহলে দেশ ও সমাজ আরও অনেক সুন্দর হবে।
তিনি বলেন, আমরা চাই আগামী প্রজন্ম কবির সৃষ্টকর্মের মাধ্যমে কবিকে উপলব্ধি করুক।

১৯০৩ সালের এই দিনে ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কবির বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।

জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুলে (বর্তমানে ফরিদপুর জিলা স্কুল) পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তাঁর প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সালে উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন যথাক্রমে ১৯২৯ ও ১৯৩১ সালে।

কবি জসীম উদ্দীন ১৯৩৯ সালে মমতাজ বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের তিন ছেলে—ড. জামাল আনোয়ার, খুরশিদ আনোয়ার ও আনোয়ার হাসু। পল্লীকবির অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪