রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দীর্ঘদিন পর নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জুনিয়র বৃত্তি’র সংখ্যা ২০ শতাংশ বাড়ানো এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতা ও এককালীন অনুদান বৃদ্ধি করা হবে বলে মাউশি জানিয়েছে।
মাউশি খসড়া প্রস্তাবের একটি সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর সম্ভাব্য বাজেট পর্যালোচনা করে তা অর্থ বিভাগের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক-১) সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, “মাউশি থেকে বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব এসেছে। এটি নীতিগত অনুমোদন পেলেই বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে।”
দ্বিগুণ হচ্ছে অর্থের পরিমাণ
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৫৬০ টাকা থেকে ১,১২০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে একজন শিক্ষার্থী প্রতি বছর মোট ১১,৯২০ টাকা পাবেন, যা বর্তমানে ৫,৯৬০ টাকা।
সাধারণ কোটায় শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ভাতা ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৩৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা করার প্রস্তাব আছে। এতে বার্ষিক সুবিধা ৩,৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭,৯০০ টাকা হবে। এই সুবিধা এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত দুই বছর পর্যন্ত উপভোগ করা যাবে।
বর্তমানে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির জন্য সরকার দুই বছরে ৪২ কোটি ৪০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করছে। প্রস্তাবিত নতুন হার কার্যকর হলে দুই বছরে সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১০১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ, আগের তুলনায় সরকারের অতিরিক্ত ৫৯ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩ হাজার ৬০০ টাকা ব্যয় বাড়বে।
রিপোর্টার্স২৪/ আয়েশা