| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ফিরোজকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২০, ২০২৬ ইং | ২১:৩৬:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৯১৫৩১৭ বার পঠিত
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ফিরোজকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াসহ সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সদস্য সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

এছাড়া বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসন (কালীগঞ্জ উপজেলা ও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

জানা গেছে, ফিরোজ ওই আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। একই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ এম শহীদুজ্জামান বেল্টুর স্ত্রী মুর্শিদা জামান।

দীর্ঘ আলোচনার পর বিএনপি শেষ পর্যন্ত গণঅধিকার পরিষদ থেকে আসা রাশেদ খানকে ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। পরে হামিদুল ইসলাম হামিদ ও মুর্শিদা জামান দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও সাইফুল ইসলাম ফিরোজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী মাঠে থাকেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফিরোজের অনুসারীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল, মাছ লুট এবং সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। তবে এসব ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়, যা ভোটের মাঠে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সর্বশেষ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির বহিষ্কারাদেশের পর সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও তার অনুসারীরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪