বিবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, তিনি নিজের দুটি দোষ জানেন—একটি হলো যা বলেন তাই করেন, আরেকটি হলো তিনি একটু রাগি। তার ভাষায়, রাগি না হলে এ দেশে কাম করণ যায় না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার তেলিকান্দি গ্রামে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, মানুষ মিষ্টি কথা শুনতে চায়, কিন্তু আমি সেটা পারি না। যতদূর পারি, ততদূর সত্য কথা বলি। সেদিন যদি আমি ধমক না দিতাম, তাহলে আমার কর্মীদের সঙ্গে যাচ্ছেতাই আচরণ করা হতো। তিনি আরও বলেন, ওই দিন কেবল নিজের অবস্থান ও চেহারা দেখিয়েছেন বলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
তিনি দাবি করেন, চাইলে মহিলা কোটায় সংসদ সদস্য হতে পারতেন, কিন্তু সরাসরি নির্বাচিত হয়ে জনগণের জন্য কাজ করতেই তিনি মাঠে নেমেছেন। নির্বাচিত হলে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি থাকে। সেই কারণেই এত কষ্ট করা, বলেন তিনি।
এর আগে বিকেলে সরাইল উপজেলার জয়ধর কান্দি এলাকায় আরেক নির্বাচনি সভায় রুমিন ফারহানা ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, শুধু প্রতীক নয়, প্রার্থীর যোগ্যতা, সততা ও সাহস বিবেচনা করে ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন, মার্কা শুধু ছাপালেই হয় না। প্রার্থী একা লড়াই করার মতো নেতা কি না, সেটা দেখতে হবে। দুলতে দুলতে এদিক-ওদিক যাওয়া প্রার্থী দিয়ে কাজ হবে না।
উল্লেখ্য, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে জোটগত সিদ্ধান্তে এই আসনে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে প্রার্থী করে বিএনপি। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এর আগে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার আগে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক কর্মীকে জরিমানার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি