| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শহীদ মিনারে বাধার মুখে রুমিন ফারহানা, মহাসড়ক অবরোধ

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২৬ ইং | ০৫:৪৪:৫৯:পূর্বাহ্ন  |  ৫৭০৯৪২ বার পঠিত
শহীদ মিনারে বাধার মুখে রুমিন ফারহানা, মহাসড়ক অবরোধ
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সরাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে। উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা তার আনা পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলেন এবং ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ১২টার দিকে রুমিন ফারহানা পুষ্পস্তবক নিয়ে শহীদ বেদির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন-এর নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী সেখানে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে।

উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন এবং প্রাঙ্গণকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে নিরাপত্তার কারণে রুমিন ফারহানা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

ঘটনার পর তার সমর্থকরা প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর প্রথম গেট এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। তারা রাস্তার ওপর আগুন জ্বালিয়ে পুলিশের নজরে আনার পাশাপাশি ঘটনার বিচারের দাবি জানান। এতে মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রথমে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাই। সে সময় বিএনপি'র কিছু নেতাকর্মী পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এমন আচরণ করলে তার ফল স্বরূপ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। দলের পদ ব্যবহার করে যারা হিংস্রতা চালায়, তাদের বিষয়ে উচ্চ পর্যায় থেকে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তিও প্রভাবিত হবে।

সরাইল থানার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, শহীদ মিনারে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। আমরা ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই করছি। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ জনগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা এক ধরনের অনুচিত কর্মকাণ্ড। শহীদ মিনারের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে আরও তৎপর হতে হবে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪