আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে লেবাননে অন্তত ৩০,০০০ মানুষ নিরাপত্তার খোঁজে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন, জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (UNHCR)। আরও অনেকে আশ্রয় নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংঘর্ষের পটভূমি
রবিবার রাতে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে রকেট হামলা চালায়। এর জবাবে সোমবার থেকে ইসরায়েল লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষিতে সৃষ্টি হয়েছে।
শরণার্থী পরিস্থিতি
UNHCR-এর মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, “প্রায় ৩০,০০০ মানুষ একত্রিত আশ্রয়কেন্দ্রে নিবন্ধন করেছেন। তবে আরও অনেকে গাড়িতে রাত কাটিয়েছে বা যানজটে আটকে আছে।”
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জানিয়েছে, লেবানন সরকার ইতিমধ্যেই ২১টি শিবির খোলা হয়েছে। বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। UNHCR সিরিয়ার শরণার্থীদের লেবানন থেকে ফেরত পাঠানোর জন্যও জরুরি পরিকল্পনা করছে।
লেবাননের শরণার্থী বাস্তবতা
লেবাননের জনসংখ্যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ শরণার্থী ঘনত্ব রয়েছে।প্রায় ৪ মিলিয়ন লেবানিজের মধ্যে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন সিরিয়ান শরণার্থী বসবাস করছে।
২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ছয় মিলিয়নের বেশি সিরিয়ান বিদেশে আশ্রয় নিয়েছে, যার মধ্যে প্রধানত তুরস্ক, লেবানন ও জর্ডান।
শিশুদের ঝুঁকি
ইউনিসেফ জানিয়েছে, লেবাননের আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে শিশুদের জীবন বিপন্ন হচ্ছে। সোমবার থেকে ৭ শিশু নিহত এবং ৩৮ জন আহত হয়েছে। ইউনিসেফ মুখপাত্র রিকার্দো পিরেস বলেন, “প্রতিটি নতুন উত্তেজনা ক্ষতির পরিধি বাড়াচ্ছে। আবাসিক এলাকা, স্কুল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রভাবিত হচ্ছে। রয়টার্স
রিপোর্টার্স২৪/এসসি