ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় দুই যুবক ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে আজ মঙ্গলবারের মধ্যে পৃথক তিনটি ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর উত্তর গ্রামের মহেন চন্দ্র রায় (৪১) দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে গেলে তিনি ঘরের ভেতরে স্ত্রীর ব্যবহৃত শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নিচে নামালেও ততক্ষণে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কোরিয়া কলন্দা গ্রামের মুক্তারুল ইসলাম (২৫) ইঁদুর নিধনের গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের বিষয় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে তিনি এ পথ বেছে নেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেওগাঁও গ্রামে বৈশাখী বালা (৬৬) নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, “পৃথক তিনটি ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
রিপোর্টার্স২৪/এসএন