| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হরমুজ প্রণালী খোলার চেষ্টা চলছেই

মধ্যপ্রাচ্যে ২,৫০০ মেরিন ও অ্যাম্ফিবিয়াস শিপ পাঠালো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ১৪, ২০২৬ ইং | ১৭:৩৯:২৪:অপরাহ্ন  |  ৩৩৫৪৯১ বার পঠিত
মধ্যপ্রাচ্যে ২,৫০০ মেরিন ও অ্যাম্ফিবিয়াস শিপ পাঠালো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান ইরান-ইস্রায়েল যুদ্ধের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে বড় সামরিক মোতায়েন ঘোষণা করেছে। ইউএসএস ত্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসল্ট শিপ এবং প্রায় ২,৫০০ মেরিন মোতায়েন করা হচ্ছে। এ পদক্ষেপ আসে এমন সময় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইরানের “উন্মত্ত নেতৃত্ব” এর বিরুদ্ধে “অতুলনীয় আগ্নেয়াস্ত্র শক্তি” ব্যবহার করার।

মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট প্রধানত সৈন্যবাহিনী নামানো, দূতাবাস নিরাপত্তা ও সিভিলিয়ান উদ্ধার, এবং বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। ত্রিপোলি জাহাজটি জাপান থেকে বের হয়ে তাইওয়ানের দক্ষিণে অবস্থান করছে। এটি দেখতে বিমানবাহিনীর মতো হলেও ছোট এবং উপকূলের কাছাকাছি কাজ করে।

পেন্টাগনের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা, যা বিশ্বের তেলের প্রায় ২০% পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের খার্গ দ্বীপ লক্ষ্য করার পরিকল্পনা করেছেন, যা দেশের তেলের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র। ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, খার্গ দ্বীপ এখন শীর্ষ অগ্রাধিকার নয়, তবে মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা সম্ভব।

ইরানি হামলা ও কুদস দিবসের র‌্যালি

একই সময় তেহরানে ফারদৌসি স্কোয়ারে কুদস দিবসের র‌্যালির সময় একটি বিস্ফোরণ ঘটে। র‌্যালিতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন, যেখানে তারা "মরণ হোক ইস্রায়েল" ও "মরণ হোক আমেরিকা" স্লোগান দেয়। ইস্রায়েল আগেই সতর্কতা দেয়, কিন্তু ইরানি কর্তৃপক্ষ যুদ্ধে শুরু থেকেই ইন্টারনেট প্রায় বন্ধ রেখেছে।

যুদ্ধের মানবিক ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতি

ইরানে নিহত: ১,৩০০+

ইস্রায়েলে নিহত: ১২

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিহত: ১৩, গুরুতর আহত: ৮

লেবাননে নিহত: ৭৭৩ (১০ দিনে), আহত: ১,৯০০+

ওমানে ড্রোন দুর্ঘটনায় নিহত: ২

ইরান অব্যাহতভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে, বিশেষ করে সৌদি আরবসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে।

ড্রোন প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

মার্কিন সেনারা মেরোপস ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা ইরানি হামলার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিটি ড্রোনের খরচ প্রায় ১৪–১৫ হাজার ডলার, যা ইরানের শাহেদ ড্রোনের তুলনায় কম। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন ও আরব অংশীদারদের সাহায্য করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যা ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পদক্ষেপ যুদ্ধের পরিস্থিতি সামলাতে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য এবং আন্তর্জাতিক তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪